
"আমার স্ত্রী, যিনি আমার কাছে একই সাথে আমার মিস্ট্রেসও, গত সপ্তাহান্তে অন্য একজন মহিলাকে বাড়িতে নিয়ে এসেছিলেন। আমি আনন্দে আটখানা হয়ে গেলাম। সারা সপ্তাহান্ত আমি তাদের সেবাতেই কাটিয়ে দিলাম, বিশেষ করে তাদের যোনি লেহনেই বেশি সময় দিয়েছি। পরের সপ্তাহে তিনি বললেন যে তিনি একজন ‘বিশেষ’ পুরুষকে আনবেন যার সেবা আমি করব, এবং যে তাকে পাগল করে তুলবে। আমি আর তর সইতে পারছি না। আমি আমার মিস্ট্রেসকে ভালোবাসি।"
এই কথাগুলো বলার সময় রঞ্জন উত্তেজনায় কাঁপছিল। তার চোখেমুখে এক অদ্ভুত আনন্দ খেলা করছিল। তার স্ত্রী, রীনা, শুধু তার মিস্ট্রেসই নয়, তার জীবনের সবকিছু। রীনার প্রতিটি কথা, প্রতিটি আদেশ রঞ্জনের কাছে ঈশ্বরের নির্দেশের মতো। তাদের সম্পর্কটা স্বাভাবিক নয়, বরং এক অদ্ভুত আধিপত্য আর বশ্যতার জালে বাঁধা। রঞ্জন রীনার কাছে সম্পূর্ণ সমর্পিত, তার প্রতিটি ইচ্ছা পূরণ করাই তার জীবনের লক্ষ্য।
গত সপ্তাহান্তে রীনা যখন অন্য একজন মহিলাকে নিয়ে এলো, রঞ্জন এক মুহূর্তের জন্যও বিচলিত বোধ করেনি। বরং, সে উৎসুক হয়ে অপেক্ষা করছিল কি হতে চলেছে। সারা সপ্তাহান্ত সে তাদের দুজনকে আপ্যায়ন করেছে, তাদের জন্য খাবার বানিয়েছে, তাদের ঘর পরিষ্কার করেছে। এবং, হ্যাঁ, তাদের যৌন ইচ্ছাও পূরণ করেছে। রীনা এবং তার বান্ধবী যখন এক সাথে ছিল, রঞ্জন তাদের পা চেটেছে, তাদের শরীর ম্যাসেজ করেছে, এবং তাদের যোনির স্বাদ নিয়েছে। তার কাছে এগুলো কোনো অপমানজনক কাজ মনে হয়নি। বরং, সে এই কাজে এক অদ্ভুত আনন্দ পেয়েছে। তার মিস্ট্রেসের সুখই যেন তার নিজের সুখ।
এখন, রীনা যখন বলছে যে পরের সপ্তাহে একজন ‘বিশেষ’ পুরুষ আসবে, রঞ্জনের উত্তেজনা আরও বহুগুণ বেড়ে গেছে। সে জানতে চায়, সেই পুরুষটি কে? কী করবে সে তার মিস্ট্রেসের সাথে? রঞ্জন কল্পনা করতে থাকে, সেই পুরুষটি রীনাকে কীভাবে সুখ দিবে? সে কি রীনার শরীর স্পর্শ করবে? তাকে কি চুমু খাবে? রঞ্জন এই সব কল্পনা করে শিহরিত হচ্ছিল। সে জানত, তার মিস্ট্রেস যা করবে, তার সবকিছুই তার ভালো লাগবে। কারণ সে যে তার মিস্ট্রেসকে ভালোবাসে। সে শুধু তার সুখ কামনা করে। আর সেই সুখ যদি অন্য কোনো পুরুষের মাধ্যমে আসে, তাতেও রঞ্জনের কোনো আপত্তি নেই। বরং, সে তো সেই পুরুষের সেবা করতেও প্রস্তুত। কারণ তার কাছে তার মিস্ট্রেসের সুখই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
এই গল্পটি একটি অস্বাভাবিক সম্পর্কের কথা বলে। এখানে ভালোবাসা, কামনা এবং আধিপত্যের এক মিশ্রণ দেখা যায়। রঞ্জন এবং রীনার সম্পর্কটি সমাজে স্বাভাবিক হিসেবে গণ্য নাও হতে পারে, কিন্তু তাদের কাছে এটাই তাদের ভালোবাসার প্রকাশ।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন