সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

Bou Jokhn Mistress

Bengali Romantic stories

 "আমার স্ত্রী, যিনি আমার কাছে একই সাথে আমার মিস্ট্রেসও, গত সপ্তাহান্তে অন্য একজন মহিলাকে বাড়িতে নিয়ে এসেছিলেন। আমি আনন্দে আটখানা হয়ে গেলাম। সারা সপ্তাহান্ত আমি তাদের সেবাতেই কাটিয়ে দিলাম, বিশেষ করে তাদের যোনি লেহনেই বেশি সময় দিয়েছি।  পরের সপ্তাহে তিনি বললেন যে তিনি একজন ‘বিশেষ’ পুরুষকে আনবেন যার সেবা আমি করব, এবং যে তাকে পাগল করে তুলবে। আমি আর তর সইতে পারছি না। আমি আমার মিস্ট্রেসকে ভালোবাসি।"

এই কথাগুলো বলার সময় রঞ্জন উত্তেজনায় কাঁপছিল।  তার চোখেমুখে এক অদ্ভুত আনন্দ খেলা করছিল।  তার স্ত্রী,  রীনা,  শুধু তার মিস্ট্রেসই নয়,  তার জীবনের সবকিছু।  রীনার প্রতিটি কথা,  প্রতিটি আদেশ রঞ্জনের কাছে ঈশ্বরের নির্দেশের মতো।  তাদের সম্পর্কটা স্বাভাবিক নয়,  বরং  এক  অদ্ভুত  আধিপত্য  আর  বশ্যতার  জালে  বাঁধা।  রঞ্জন  রীনার  কাছে  সম্পূর্ণ  সমর্পিত,  তার  প্রতিটি  ইচ্ছা  পূরণ  করাই  তার  জীবনের  লক্ষ্য।

গত সপ্তাহান্তে রীনা যখন অন্য একজন মহিলাকে নিয়ে এলো,  রঞ্জন  এক  মুহূর্তের  জন্যও  বিচলিত  বোধ  করেনি।  বরং,  সে  উৎসুক  হয়ে  অপেক্ষা  করছিল  কি  হতে  চলেছে।  সারা  সপ্তাহান্ত  সে  তাদের  দুজনকে  আপ্যায়ন  করেছে,  তাদের  জন্য  খাবার  বানিয়েছে,  তাদের  ঘর  পরিষ্কার  করেছে।  এবং,  হ্যাঁ,  তাদের  যৌন  ইচ্ছাও  পূরণ  করেছে।  রীনা  এবং  তার  বান্ধবী  যখন  এক  সাথে  ছিল,  রঞ্জন  তাদের  পা  চেটেছে,  তাদের  শরীর  ম্যাসেজ  করেছে,  এবং  তাদের  যোনির  স্বাদ  নিয়েছে।  তার  কাছে  এগুলো  কোনো  অপমানজনক  কাজ  মনে  হয়নি।  বরং,  সে  এই  কাজে  এক  অদ্ভুত  আনন্দ  পেয়েছে।  তার  মিস্ট্রেসের  সুখই  যেন  তার  নিজের  সুখ।

এখন,  রীনা  যখন  বলছে  যে  পরের  সপ্তাহে  একজন  ‘বিশেষ’  পুরুষ  আসবে,  রঞ্জনের  উত্তেজনা  আরও  বহুগুণ  বেড়ে  গেছে।  সে  জানতে  চায়,  সেই  পুরুষটি  কে?  কী  করবে  সে  তার  মিস্ট্রেসের  সাথে?  রঞ্জন  কল্পনা  করতে  থাকে,  সেই  পুরুষটি  রীনাকে  কীভাবে  সুখ  দিবে?  সে  কি  রীনার  শরীর  স্পর্শ  করবে?  তাকে  কি  চুমু  খাবে?  রঞ্জন  এই  সব  কল্পনা  করে  শিহরিত  হচ্ছিল।  সে  জানত,  তার  মিস্ট্রেস  যা  করবে,  তার  সবকিছুই  তার  ভালো  লাগবে।  কারণ  সে  যে  তার  মিস্ট্রেসকে  ভালোবাসে।  সে  শুধু  তার  সুখ  কামনা  করে।  আর  সেই  সুখ  যদি  অন্য  কোনো  পুরুষের  মাধ্যমে  আসে,  তাতেও  রঞ্জনের  কোনো  আপত্তি  নেই।  বরং,  সে  তো  সেই  পুরুষের  সেবা  করতেও  প্রস্তুত।  কারণ  তার  কাছে  তার  মিস্ট্রেসের  সুখই  সবচেয়ে  গুরুত্বপূর্ণ।

এই  গল্পটি  একটি  অস্বাভাবিক  সম্পর্কের  কথা  বলে।  এখানে  ভালোবাসা,  কামনা  এবং  আধিপত্যের  এক  মিশ্রণ  দেখা  যায়।  রঞ্জন  এবং  রীনার  সম্পর্কটি  সমাজে  স্বাভাবিক  হিসেবে  গণ্য  নাও  হতে  পারে,  কিন্তু  তাদের  কাছে  এটাই  তাদের  ভালোবাসার  প্রকাশ।


মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

দুপুরের ভালবাসা

  অফিসের ব্যস্ত পরিবেশের মধ্যেও দীপকের দিকে তাকালে হৃদয়ের গভীরে এক অন্যরকম অনুভূতি কাজ করত সায়নার। কয়েক সপ্তাহ হলো তাদের বন্ধুত্ব একটু ভিন্ন মোড় নিয়েছে, কিন্তু সায়না জানে—এই সম্পর্ক তার জীবনকে বদলে দেবে চিরদিনের জন্য। সবকিছু শুরু হয়েছিল এক দুপুরের বিরতিতে। দীপক সায়নাকে বলল, "চলো, ব্যাংকে যেতে হবে, তুমি সঙ্গ দেবে?" সায়না কিছু না ভেবেই রাজি হয়ে গেল। দীপকের গাড়িতে উঠতেই সে অনুভব করল এক অদ্ভুত উত্তেজনা, এক মিষ্টি টান। অফিসে ব্যস্ততার কারণে সারাদিন ওদের মধ্যে খুব কম কথাই হয়, তাই দীপকের সঙ্গে একান্তে কিছুটা সময় কাটানোর সুযোগ পেয়ে ওর মন আনন্দে নেচে উঠল। ড্রাইভের সময় দীপকের দৃঢ় হাতে স্টিয়ারিং চাকা ধরার ভঙ্গিটা সায়নার মনে একরকম শিহরণ জাগাল। ওর মনের মাঝে একটা অদ্ভুত আকর্ষণ কাজ করছিল। গাড়িতে বসে সে দীপকের দিকেই তাকিয়ে রইল। দীপক ব্যাংকে কাজ সেরে যখন ফিরে এল, তখন ওর হেঁটে আসার দৃশ্য দেখে সায়নার বুকের ভিতর ধকধক করতে লাগল। দীপকের সুগঠিত শরীর, চোখের সেই গভীরতা—সব মিলিয়ে ও যেন এক মোহময় মানুষ। গাড়িতে উঠে দীপক একঝলক তাকিয়েই বুঝতে পারল সায়নার মনের অবস্থা। — "কী হলো? চুপ করে আছো কেন?...

অন্তহীন তৃষ্ণা: হৃদয়ের এক অবাধ্য উপাখ্যান

সূচনা: বৃষ্টির প্রথম ফোঁটা ঢাকা শহরের ধুলোবালি আর ব্যস্ততার মাঝেও কিছু মুহূর্ত আসে যা জীবনকে আমূল বদলে দেয়। নীলার জীবনে হেনরি (সায়েম) ছিল সেই কালবৈশাখী ঝড়ের মতো—অপ্রত্যাশিত কিন্তু অনিবার্য। তাদের পরিচয়ের পর থেকে গত তিন মাসে নীলা এক অন্য জগতে বাস করছে। সায়েমকে দেখার পর থেকে তার ভেতরে এমন এক সুপ্ত কামনার জন্ম হয়েছে, যা সে আগে কখনও অনুভব করেনি। গত সাত মাস কোনো পুরুষের ছোঁয়া না পাওয়া শরীরটা যেন কেবল সায়েমের অপেক্ষাতেই ছিল। নীলা জানত না সায়েমের মধ্যে কী এমন জাদুকরী শক্তি আছে, কিন্তু তার গভীর চোখের চাউনি আর গম্ভীর কণ্ঠস্বর নীলার দীর্ঘদিনের সাজানো ‘সংকল্প’ বা 'রেজোলিউশন' ভেঙে চুরমার করে দিচ্ছিল। প্রথম রাতের সেই উন্মাদনা সেদিন ছিল এক মেঘলা রাত। নীলার ড্রয়িংরুমে বসে তারা কফি খাচ্ছিল। নীলার মনে কোনো অভিসন্ধি ছিল না; সে কেবল সায়েমের সান্নিধ্য চেয়েছিল। কিন্তু সায়েম যখন কাছে এসে নীলার কপালে আলতো করে চুমু খেল এবং খুব ধীর স্বরে কথা বলতে শুরু করল, নীলা যেন সম্মোহিত হয়ে গেল। সায়েমের পুরুষালি সুবাসে নীলা মাতাল হয়ে যাচ্ছিল। নীলা নিজেকে সংযত রাখার চেষ্টা করছিল, কিন্তু সায়েমের হাতের ছোঁয়া যখন তার ...

रंग, प्रेम और कला: एक अधूरी दास्तान | Hindi Romantic Story for Artists

कला एक ऐसी भाषा है जिसकी कोई सीमा नहीं होती। यह भावनाओं को, छुअन को और रंगों को एक ऐसे कैनवास पर उकेरती है जो शब्दों से परे होता है। भारत जैसे देश में, जहाँ कला और संस्कृति की जड़ें बहुत गहरी हैं, प्रेम को अक्सर एक आध्यात्मिक और दिव्य रूप में देखा गया है। लेकिन कभी-कभी, दो अलग-अलग पीढ़ियों, दो अलग-अलग दृष्टिकोणों के बीच का प्रेम भी रंगों की तरह आपस में घुल-मिल जाता है। यह कहानी है एक ऐसे चित्रकार की, जिसकी उम्र के इस पड़ाव पर कला ही उसका सब कुछ थी, और एक ऐसी युवा लड़की की जो रंगों की दुनिया में अपनी पहचान बनाना चाहती थी। पहला अध्याय: कला की दुनिया और मुलाकात मैं लगभग पैंतीस साल का हूँ और बारह साल की उम्र से कला और रंगों की दुनिया में डूबा हुआ हूँ। मेरी आँखों ने रंगों के अनगिनत शेड्स देखे हैं, लेकिन जब आप एक ऐसे शहर में रहते हैं जहाँ युवा और ऊर्जावान छात्र-छात्राएं कला सीखने आते हैं, तो जीवन का नजरिया थोड़ा बदल जाता है। यहाँ एक प्रसिद्ध कला महाविद्यालय है, जहाँ के छात्रों के पास अभी सीखने के लिए बहुत कुछ है। लेकिन हर नए सेमेस्टर के साथ, जीवन में कुछ नई ऊर्जा, कुछ नए रंग और कुछ ताज़गी जर...